৩ মাসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

৩ মাসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

বাংলাদেশের লাখ লাখ শিক্ষিত নারী ও পুরুষ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন সহকারি শিক্ষক হওয়ার বাসনা নিয়ে পুরণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আবেদন ফরম।  এরপর সবার মনে একই প্রশ্ন প্রাইমারী নিয়োগ পরিক্ষা কবে হতে পারে? লিখিত নাকি এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরিক্ষা নেওয়া হবে? সিলেবাস কেমন হবে?

প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ সম্পর্কিত সম্ভাব্য সকল প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ শাখার সহকারী পরিচালক আতিক এস বি সাত্তার।

FAQ: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষক পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে হবে? কোন অংশে কত নম্বর?

লাখ লাখ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহন করবে। তাই বেশিসংখ্যক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা লিখিত আকারে নেওয়াটা বেশ জটিল। সে কারণে এমসিকিউ পদ্ধতিতেই নেওয়া হবে পরীক্ষা । বিগত বছরের ন্যায় এমসিকিউতে মোট ৮০ নম্বরের প্রশ্ন। শুধুমাত্র এমসিকিউতে যারা পাস করবেন, তাদের মৌখিক পরীক্ষায় (২০ নম্বর) অংশ নিতে হবে।

পরীক্ষা কয় মাস পর হওয়ার সম্ভাবনা? নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে কেমন সময় লাগতে পারে?

আমাদের প্রস্তুতি হচ্ছে মাস তিনেকের মধ্যেই পরীক্ষা নেওয়ার। আর পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামী অর্থবছরের আগে অর্থাৎ জুন মাসের মধ্যে শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য। তবে পরবর্তী প্রেক্ষাপট বা পরিস্থিতির কারণে এর হেরফের হতে পারে।

পরীক্ষা কী উপজেলাভিত্তিক হবে? মানে একেক উপজেলায় একেক সময়?

যেহুতু  পরিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি তাই সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য পরীক্ষা অবশ্যই উপজেলাভিত্তিক হবে।

নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটাব্যবস্থা কেমন হবে?

এবারের নিয়োগে ৬০ শতাংশ নারী কোটা। ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বরাদ্ধ রয়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০। শতাংশ কোটার ১২ শতাংশ নারী কোটায়। (অর্থাৎ ৬০ শতাংশ নারী কোটার মধ্যে এই ১২ শতাংশ বিজ্ঞান কোটাও অন্তর্ভুক্ত আছে), ৪ শতাংশ পুরুষ কোটায় এবং ৪ শতাংশ। পোষ্যকোটায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

একটি উপজেলায় যে পরিমাণ পদ খালি আছে, তার কত গুণ বেশিসংখ্যক প্রার্থীকে এমসিকিউ পরীক্ষায় টেকানো হবে?

এটা মূলত পরীক্ষা কমিটি নির্ধারণ করে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা, শূন্য পদের সংখ্যাসহ কয়েকটি বিষয় সম্পর্কিত। এর আগের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে লিখিত পরীক্ষা থেকে শূন্য পদের চেয়ে ২.৫ থেকে ৩ গুণ বেশি প্রার্থী নেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন:

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here