Noya daman| নয়া দামান| Aila Re Noya Daman

Noya daman| নয়া দামান| Aila Re Noya Daman

Noya daman| নয়া দামান| Aila Re Noya Daman: এটি সিলেট অঞ্চলের অতি প্রচলিত বিয়ের গান। বিয়ের গান বিপুলায়তন লোকসাহিত্য বা লোক গানের ই একটি শাখা। লোকমুখে প্রচারিত বলেই একেক এলাকায় একেক রকম করে গাওয়া হয়ে থাকে এ গান। তাই কোথাও এ গান তিন অন্তরা, আবার কোথাও এর বেশী গাওয়া হয়।এটা নির্ভর করে কতটুকু সময় ধরে গানটি গাওয়া হবে তার উপর। এই ধরনের গানগুলো যাতে মানুষ সহজে মনে রাখতে পারেন, সেজন্যই গানগুলির কথা বিশেষ ভাবে সাজানো হয়। গানের মূল কথা অবিকল রেখে অল্পকিছু কথা দিয়ে বাকী অন্তরাগুলো সাজানো হয় । মূল কথাগুলো ঠিক রেখে মাত্র দুই তিনটি শব্দের এদিক সেদিক করে বাকী পদগুলো সাজানো হয়। ফলে মনে রাখা সহজ হয়।

নয়া দামান গানের লিরিক্স: Noya daman| নয়া দামান| Aila Re Noya Daman

নয়া দামান (Lyrics In Bengali)

আইলারে নয়া দামান, আসমানেরও তেরাবিছানা বিছাইয়া দিলাম শাইল ধানের নেরাও দামান বও, দামান বও (২)বও দামান কওরে কথা, খাওরে বাটার পান,যাইবার কথা কও যদি কাইট্যা রাখমু কান ।ও দামান বও, দামান বও (২)আইলারে নয়া দামান, আসমানেরও তেরাবিছানা বিছাইয়া দিলাম শাইল ধানের নেরাও দামান বও, দামান বও (২)আসল গানের বাকীটুকু — আইলারে দামান্দর ভাই হিজলেরও মোড়াঠুনকি দিলে মাটিত পড়ইন, ষাইট/সত্তইরের বুড়া ।ও দামান বও, দামান বও আইলারে দামান্দর বইন, কইতা একখান কথাকইনার ভাইর ছে’রা দেইখা, হইয়া গেলা বোবা ।ও দামান বও, দামান বও আইলারে দামান্দর ভাইর বউ, দেখতে বটর ঘাইলউঠতে বইতে সময় লাগে, করইন আইল-জাইল ।ও দামান বও, দামান বও 

Aila Re Noya Daman Lyrics In English

Aila re noya daman,
aasman ero tera
Bisana bisaiya dilam shail dhaaner nera
Oo Daman bow, daman bow (2)
Boh daman kou reh khotha,
khao reh batar paan
Zaibar khotha kou jodi kaitta rakhmu kaan
Oo Daman bow, daman bow
Aila re noya daman,

aasmanero tera
Bisana bisaiya dilam shail dhaaner nera
Oo Daman bow, daman bow (2)

Aila re Damandor Bhai
Hijolero MoraThunki dile matit poroin,
shait shottoirer bura
Oo Daman bow, daman bow
Aila re Damandor Boin,
Koiba Ekkhan Khotha
Koinar Bhair Sehra Deikha,
Hoiya Gela Buba
Oo Daman bow, daman bow
Aila re Damandor Bhair Bou,
Dekhte Botor GhailUthle boite shomoy laage,
koroin aail zaail
Oo Daman bow, daman bow

Noya daman| নয়া দামান| Aila Re Noya Daman

Noya daman Video | নয়া দাামান ভিডিও

Aila Re Noya Daman | আইলারে নয়া দামান

সিলেট অঞ্চলের ‘আইলা রে নয়া দামান’ গানটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনার ঝড় তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা তরুণ কম্পোজার মুজাহিদুর আব্দুল্লাহের (মুজা) সংগীত আয়োজনে তোশিবা বেগমের গাওয়া গানটির নতুন সংস্করণ ‘নয়া দামান’ ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর মূল গানটিও আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

মুজা ও তোশিবার নতুন সংস্করণটিতে দেখা যায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজের তিন ডাক্তার নাচছেন এ গানটির সঙ্গে। তবে এই গানের দৃশ্যায়নের কোথাও মূল গীতিকার ও সুরকারের উল্লেখ নেই, যা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ গানটি অনেক আগে থেকেই সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন বিয়ে ও অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয়ে আসছে এবং বিভিন্ন জেলা মিলিয়ে এর অন্তত ছয়টি সংস্করণ বা ভার্সন রয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে গবেষক-বিশেষজ্ঞরাও গানটির উৎপত্তি ও এর মূল গীতিকার-সুরকার এবং প্রথম গায়ক বা গায়িকা নিয়ে পড়েছেন সিদ্ধান্তহীনতায়। তারা বলছেন, ‘এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাওয়া যাবে না। এর জন্য সময় প্রয়োজন।’

একুশে পদকপ্রাপ্ত পণ্ডিত রামকানাই দাশের কণ্ঠেও গানটি একটি অ্যালবামে রেকর্ড হয়েছে। সিলেটের সুনামগঞ্জের এই শিল্পী এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘লোককবি দিব্যময়ী দাশ ‘আইলারে নুয়া জামাই’ গানটি লিখেছিলেন। স্বামী রসিকলাল দাশের সঙ্গে বসে তিনি গান বাঁধতেন।’ এই দিব্যময়ী দাশ ও রসিকলাল দাশের সন্তানই পণ্ডিত রামকানাই দাশ ও একুশে পদক পাওয়া আরেক বরেণ্য লোকসংগীত শিল্পী সুষমা দাশ।

পণ্ডিত রামকানাই দাশের ছোট ছেলে পিনুসেন দাশ বলেন, ‘গানটি সিলেট বেতার কেন্দ্র থেকে শিল্পী ইয়ারুন্নেসা খানম প্রথম রেকর্ডিং করেন। তিনি আমার বাবার কাছে গান শিখতেন। আমাদের ঠাকুমা (দিব্যময়ী) আমাদের সঙ্গেই থাকতেন। ঠাকুমার কাছে থেকে ইয়ারুন্নেসা গানটি শিখেছিলেন। সেটি ১৯৭২ বা ’৭৩ সালের দিকের কথা।’

তিনি বলেন, ‘বাবা রামকানাই দাশ বেঙ্গলের অ্যালবামে এ গানটি রেকর্ড করেছিলেন। সেখানে গানের মধ্যেই পদকর্তা দিব্যময়ী দাশের নাম রয়েছে (ভনিতা)। এই গানে একটি লাইন আছে পাড়ার লোকে দেখতে আইল দিব্যময়ীর বিয়া’।’

কাবেরী দাশ বলেন, ‘এই গানটি নিয়ে কেন বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, বুঝতে পারছি না। গানটি আমার ঠাকুরমারই গান। এটি আমরা ছোটবেলায় বহুবার গেয়েছি। আমার ঠাকুরমা-ঠাকুরদা দুজনেই গান লিখতেন ও গাইতেন।’

তিনি বলেন, ‘রেডিওতে তখন এ গানে ঠাকুরমার নাম বলা হয়নি, কারণ তিনি অ্যানলিস্টেড (নিবন্ধিত) গীতিকার ছিলেন না। তাই তখন গীতিকারের নাম ‘অজ্ঞাত’ বলা হয়েছিল। কিন্তু গানটি তো ১৯৬৫-৬৬ সাল থেকেই আমাদের গ্রামাঞ্চলে প্রচলিত। এখন অন্যকেউ যদি কথা বদলে গানটি গায়, সেটি তো দিব্যময়ীর দোষ না।’

গানের কথা পরিবর্তন নিয়ে কাবেরী দাশ বলেন, ‘ঠাকুরমার গানে একটা লাইন আছে- ‘বাজায় বাঁশি জয় রাধা বলিয়া’। ইয়ারুন্নেসা যখন রেডিওতে গাইতে গেলেন, তখন কর্তৃপক্ষ বললেন, ‘রাধা’ বলা যাবে না। তখন ‘জয় রাধা বলিয়ার বদলে ‘আমার নাম বলিয়া’ গাওয়া হয়েছে। এমন অনেক ঘটনাই আছে। বাবার কাছে শুনেছি, অনেক গানেরই কথা বদলে দেওয়া হতো।’ এভাবেই ‘নুয়া জামাই’ কথাটি ‘নয়া দামান’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Aila Re Noya Daman | আইলারে নয়া দামান

২০০৪ সালে বেঙ্গল ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত একটি অ্যালবামে গানটি গেয়েছিলেন রামকানাই দাশ। এই অ্যালবামে ১৪টি গান রয়েছে। আবদুল করিম, হাসন রাজাসহ অনেক লোকসঙ্গীত শিল্পীরই গান রয়েছে এতে। আলাদা করে কোনো গীতিকারের নাম দেওয়া হয়নি অ্যালবামটিতে, তবে গানের মধ্যেই দিব্যময়ীর নামের ভনিতা রয়েছে।  

লেখক, নাট্যকার ও তথ্যচিত্র নির্মাতা শাকুর মজিদ দীর্ঘদিন সিলেট অঞ্চলে কাজ করেছেন লোকগানসহ নানা বিষয় নিয়ে। তিনি বলেন, ‘গানটি  লোকগান হলেই যে এর কোনো পরিচয় থাকবে না এটা তো হতে পারে না। যেমন, ‘তোমরা দেখো গো আসিয়া/কমলায় নৃত্য করে থমকিয়া থমকিয়া’ এর মুখটা (স্থায়ী অংশ) ঠিক রেখে অনেকে বাকি অংশ পরিবর্তন করে গানটি গেয়েছেন। ‘সোহাগ চাঁদ বদনী’ গানের ক্ষেত্রেও এমন আছে। এই দুটি গান অনেক পুরনো, সেগুলো কার লেখা এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।’

‘নয়া দামান’ গান এতো পুরনো নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যার নাম (দিব্যময়ী) এই গানে পাওয়া গেছে সবকিছু বিবেচনায় তিনি এমন করার কথা না। তিনি তো অখ্যাত বা ভেসে আসা কেউ নন। দিব্যময়ীর জন্ম ১৯১০ সালে। ছোটোবেলা থেকেই যেহেতু উনি গান করেন, ১৯২৫ বা ১৯৩০ থেকেই উনার গান চর্চা থাকার কথা। তখন থেকেই রাধারমণের গানের প্রভাব ওই অঞ্চলে আছে। রাধারমণের ধামাইল গানের সুর ও স্ট্র্যাকচারের (গঠন) মতো করেই গানটি  করা হয়েছিল। পরে এর কথা ও সুর পরিবর্তন করে অনেকে গেয়েছেন। আমি একটি গান পেয়েছি, যেখানে মূল সূরে গানটি না গেয়ে ধামাইলের সুরে গাওয়া হয়েছে। তবে মূল গানে তার (দিব্যময়ী) ভনিতাসহ বহু জায়গায় অনেক আগে থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে।’

শাকুর মজিদ আরও বলেন, ‘যারা গানটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন তারা কোনো সোর্স (উৎস) দেখাতে পারছেন না। কোনো সোর্স না দেখিয়ে তো বিরোধিতা করা যায় না।’

অন্য কোনো তথ্য-প্রমাণ না পেলে গানটি দিব্যময়ীর লেখা ধরে নিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ দিব্যময়ী এই গান লেখার আগে গানটি প্রচলিত ছিল বা গাওয়া হতো বলে প্রমাণিত হবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা বলতে পারি এটি উনার লেখা। শাহ আবদুল করিমের এমন অনেক গান সংগ্রহ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দিব্যময়ীর অনেক গানও এখন রাধারমণের বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

Aila Re Noya Daman | আইলারে নয়া দামান

মূল গীতিকার কে বলা ‘কঠিন’:

সিলেট অঞ্চলের লোকগানের বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত শিল্পীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সিলেটের ধামাইল গানে ভনিতা (পদকর্তার নাম থাকা) থাকলেও বিয়ের গানগুলোতে সাধারণত ভনিতার ব্যবহার দেখা যায় না। তাই বিয়ের গান হওয়ার পরও এতে ভনিতা যুক্ত হওয়ার কারণ সম্পর্কে কেউ স্পষ্ট কোনো ধারণা দিতে পারছেন না। কেউ কেউ গানটির গীতিকার হিসেবে গিয়াসউদ্দিন আহমেদ কিংবা সিদ্দিকুর রহমানের নাম বলেছেন। তবে গবেষকদের মতে, গানটি তাদের হওয়ার সম্ভাবনা কম।

লোকসাহিত্য গবেষক সুমনকুমার দাশ বলেন, ‘আমাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুণী সংগীতজ্ঞ রামকানাই দাশ গানটি তার মায়ের লেখা বলে জানিয়েছেন। আমার লেখা ‘রামকানাই দাশের নন্দনভুবন :একটি অন্তরঙ্গ আলাপ’ বইয়ে সাক্ষাৎকারটি আছে। পরে কয়েকজন জানান, এটি প্রাচীন বিয়ের গীত। এরপর গানটি সম্পর্কে আমি খোঁজখবর নিই।’

গানটি নিয়ে নিজের অনুসন্ধানের বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আইলা রে নয়া দামান/আসমানেরও তেরা/বিছানা বিছাইয়া দেও/শাইল ধানের নেড়া’ স্থায়ী অংশটি ভাষাতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বিচারে একটি বিয়ের গীত। দীর্ঘদিন ধরে এ গানের স্থায়ী অংশটুকু এ অঞ্চলে প্রচলিত আছে। এই স্থায়ী অংশের কিছু শব্দ অদলবদল করে অন্য অন্তরাগুলো একেক শিল্পী একেকভাবে গাইছেন। যদিও গানের বিষয়বস্তু মূলত এক। আমি অন্তত এ গানের ছয়টি পাঠ (ভার্সন) সিলেট অঞ্চলে পেয়েছি। প্রতিটি গানের অন্তরায় ভিন্ন শব্দ বা পঙ্‌ক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ৯৫ শতাংশ গানগুলোতে ‘জামাই’ শব্দটির বদলে ‘দামান’ ব্যবহার করা হয়েছে।’

সুমনকুমার দাশ জানান, ‘এই গানটির স্থায়ী অংশটি অন্তত ৫৫ থেকে ৬০ বছর ধরে এ অঞ্চলে প্রচলিত। এই স্থায়ীকে কেন্দ্র করেই অনেক লোককবি বা গীতিকারেরা গানটি পুনর্নির্মাণ করেছেন। প্রচলিত গানে সিলেট আর মৌলভীবাজারের অনেক শব্দ রয়েছে। অন্যদিকে দিব্যময়ী দাশের গানে কিছু কিছু শব্দ আছে, যা সুনামগঞ্জের ভাটি অঞ্চলের। আবার কিছু পাঠে হবিগঞ্জ অঞ্চলের মৌখিক উপভাষার ব্যবহারও দেখা গেছে। মূলত যে অঞ্চলে গানটি গাওয়া হয়েছে, সে অঞ্চলের শব্দ এতে ঢুকে গেছে। লোকগানের সব বৈশিষ্ট্যই এই গানটিতে আছে। দিব্যময়ী দাশ হয়তো প্রচলিত গানটিকে তার মতো করে পুনর্নির্মাণ করেছেন, অন্যরাও করেছেন। এ কারণেই একাধিক পাঠ পাওয়া যাচ্ছে গানটির। এর পরও বিস্তর গবেষণা ও যাচাই-বাছাই ছাড়া গানটির বিষয়ে প্রকৃত সিদ্ধান্তে আসা কঠিন।’

Aila Re Noya Daman | আইলারে নয়া দামান

সিলেটের প্রবীণ সংগীতশিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস দীর্ঘদিন কাজ করেছেন সংগীতজ্ঞ রামকানাই দাশের সঙ্গে। বর্তমানে এ অঞ্চলের অন্যতম বয়োজ্যেষ্ঠ শিল্পী তিনি। এক আলাপে সমকালকে তিনি বলেন, ‘আমি নিজে রামকানাই’দার (রামকানাই দাশ) সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছি। আমরা একসঙ্গে কিছুদিন সংগীতজ্ঞ ও লোকগানের গুরু বিদিত লাল দাসের দলেও ছিলাম। কিন্তু তখন তিনি একবারের জন্যও এই গানটির রচয়িতা হিসেবে নিজের মায়ের কথাটি আমাকে বলেননি। সাক্ষাৎকারে উনি কী বলেছেন তা আমি জানি না, শুনিওনি।’

‘নয়া দামান’ গানের স্মৃতি উল্লেখ করে হিমাংশু বিশ্বাস বলেন, ‘১৯৭৩ বা ১৯৭৫ সালে লোকগানের আন্তর্জাতিক একটা সম্মেলন হয়েছিল। জসিমউদ্দিন সাহেবও (পল্লিকবি জসিম উদ্‌দীন) সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে সিলেটের লোকসংগীতের ৫০ মিনিটের একটি সেশন ছিল। সেই সেশনে ‘নয়া দামান’ গানটি আমরা গেয়েছি। সেখানে কথা ও সুর ‘সংগৃহীত’ বলা হয়েছে। বর-কনে সাজিয়ে গানটিকে চিত্রায়িত করা হয়েছিল, টেলিভিশনেও দেখানো হয়েছে, তখনও উনি কোনো প্রতিবাদ করেননি।’

কপিরাইট অফিসে খোঁজ নিয়েও জানা গেছে, গানটির স্বত্ব পেতে এখনও কেউ কোনো আবেদন করেননি।

সকল ভাইরাল খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here